দাজ্জাল?ইহুদী খ্রীস্টান ‘সভ্যতা’!  



Get the Flash Player to see this player.

time2online Extensions: Simple Video Flash Player Module

সালাতের এই প্রাণহীন দুরবস্থা কেন হোল, কেমন কোরে হোল?

সালাতের এই প্রাণহীন দুরবস্থা কেন হোল,
কেমন কোরে হোল?
 

argaiv1432

পেছনে বোলে এসেছি, প্রমাণ কোরে এসেছি যে রসুলকে আল্লাহ যে দায়িত্ব দিয়ে পৃথিবীতে পাঠালেন তা হোচ্ছে: (১) সমস্ত পৃথিবীতে তাঁর (আল্লাহ) দেয়া সঠিক দিক-নির্দেশনা (হেদায়াহ) ও সত্যদীন (দীনুল হক) প্রতিষ্ঠা করা (সুরা সুরা ফাতাহ ২৮, তওবা ৩৩, সফ্ ৯)৷ (২) ঐ কাজটি করার নীতি আল্লাহ নির্দ্ধারণ কোরে দিলেন সংগ্রাম (জেহাদ) ও কেতাল (সশস্ত্র সংগ্রাম) (সুরা বাকারা ২১৬)৷ (৩) ঐ জেহাদ ও কেতাল কোরে জয়ী হবার মত চরিত্র গঠনের জন্য, প্রশিক্ষণের জন্য ফরদ কোরে দিলেন সালাহ্৷ সালাহ্ যে চরিত্র গঠন কোরবে, যে গুণগুলি মুসুল্লীদের চরিত্রে সৃষ্টি কোরবে সেগুলিকে চরিত্রের মধ্যে গেঁথে দেয়ার জন্য, প্রোথিত করার জন্য অর্থাত্‍ কায়েম করার জন্য আল্লাহ দিনে পাঁচবার সালাহ্ কায়েম করার আদেশ দিলেন৷ এই হোল রেসালাত, জেহাদ ও সালাহ্ সম্বন্ধে সঠিক আকীদা৷ এই আকীদাই ছিলো আল্লাহর রসুলের ও তাঁর আসহাব মোজাহেদের৷ তাদের এই আকীদা ছিলো বোলেই আল্লাহর রসুল তাঁর আসহাব, মোজাহেদের সঙ্গে নিয়ে নয় বছরের মধ্যে ১০৭ টারও বেশী যুদ্ধ কোরে সমস্ত আরব উপদ্বীপটিতে আল্লাহর দেয়া সঠিক দিক নির্দেশনা (হেদায়াহ) ও সত্যদীন (দীনুল হক) প্রতিষ্ঠা কোরলেন৷ তারপর আল্লাহর ডাকে তিনি পৃথিবী থেকে চোলে গেলেন; যাবার সময় তিনি তাঁর নিজের ওপর আল্লাহর দেয়া দায়িত্ব তাঁর হাতে গড়া, তাঁর নিজের প্রশিক্ষণ দেয়া উম্মাহর ওপর অর্পণ কোরে গেলেন এবং তা হোচ্ছে বাকি পৃথিবীতে ঐ হেদায়াহ ও দীনুল হককে প্রতিষ্ঠা কোরে সমস্ত অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার, অশান্তি বিলুপ্ত কোরে দিয়ে শান্তি (এসলাম) প্রতিষ্ঠা কোরে আল্লাহকে দেয়া এবলিসের চ্যালেঞ্জে আল্লাহকে জয়ী করা৷ আল্লাহর রসুলের উম্মাহ তাদের হৃদয় দিয়ে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব উপলব্ধি কোরেছিলেন, তাই নেতার এন্তেকালের পরই তারা তাদের পার্থিব সমস্ত কিছু, ব্যবসা-বাণিজ্য, ঘর-বাড়ি, ক্ষেত-খামার, স্ত্রী-পুত্র সব কিছু ত্যাগ কোরে ঐক্যবদ্ধ হোয়ে বাইরের পৃথিবীর বুকে বন্যার ঢলের মত ঝাঁপিয়ে পোড়েছিলেন৷ তারা ভোলেন নাই যে তাদের মহান নেতা তাদের সতর্ক কোরে বোলেছিলেন যে, যে আমার সুন্নাহ ত্যাগ কোরবে সে আমার কেউ নয়, এবং সেই সুন্নাহ হোচ্ছে এই সুন্নাহ৷ তারা এও ভোলেন নাই যে আল্লাহও পরিষ্কার ভাবে বোলে দিয়েছেন যে এই জেহাদ ত্যাগ কোরলে আল্লাহ এই জাতিকে কঠিন শাস্তি দিয়ে অন্য জাতির দাস বানিয়ে দেবেন (কোরান সুরা তওবা- ৩৮, ৩৯)৷
দিনে পাঁচবার সালাতের মাধ্যমে অর্জিত গুণগুলি, অর্থাত্‍ সকলের একই উদ্দেশ্য, একই লক্ষ্য, লৌহকঠিন ঐক্য, ইস্পাত কঠিন শৃংখলা, নেতার আদেশের সঙ্গে সঙ্গে, বিনা প্রশ্নে দ্বিধাহীনভাবে মৃতু্যর মুখে ঝাঁপিয়ে পড়ার আনুগত্য ও পর্বতের মত অটল সংকল্পের দৃঢ়তা (সবর) নিয়ে উম্মতে মোহাম্মদী পৃথিবীর বুকে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো৷ আকীদার সঠিকতা অর্থাত্‍ উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্বন্ধে সঠিক ধারণা ও তা অর্জনের সঠিক প্রক্রিয়া ও সালাতের মাধ্যমে অর্জিত চরিত্রের ফলে ঐ উম্মাহ মাত্র ৬০/৭০ বছরের মধ্যে অর্দ্ধেক পৃথিবীতে আল্লাহর দেয়া হেদায়াহ (সঠিক দিক নির্দেশনা) ও দীনুল হক (সত্যদীন) প্রতিষ্ঠা কোরেছিলো৷ যার ফলে ঐ অর্দ্ধেক পৃথিবী ন্যায়ে, সুবিচারে ব্যক্তিগত ও সামাজিক নিরাপত্তায় ও শান্তিতে, এসলামে ভরে গিয়েছিলো৷ তারপর দুর্ভাগ্যক্রমে এই উম্মাহ তার ওপর আল্লাহর ও রসুলের দেয়া দায়িত্ব ভুলে যেয়ে দীন প্রতিষ্ঠার জেহাদ, যুদ্ধ ত্যাগ কোরে সাধারণ রাজা-বাদশাহদের মত রাজত্ব কোরতে আরম্ভ কোরলো৷ যুদ্ধই যখন ত্যাগ করা হোল তখন সেই যুদ্ধের প্রশিক্ষণও বিকৃত হোয়ে যাবে তা স্বাভাবিক কথা৷ উম্মতে মোহাম্মদীর অস্তিত্বের কারণ সম্বন্ধে আকীদা বিকৃত হোয়ে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা কোরে এবলিসকে পরাজিত কোরে আল্লাহকে জয়ী করা থেকে বদলে যেমন রাজত্ব করা হোয়ে গেলো, তেমন সালাতের উদ্দেশ্য মোজাহেদ চরিত্র গঠন থেকে বদলে উপাসনা করা হোয়ে গেলো৷ কাজেই সালাতের সেই কঠিন নিয়ম-কানুন, পালন কোরে সালাহ্ কায়েম করা থেকে বদলে যেমন তেমন কোরে অাঁকা-বাঁকা লাইনে ঝুঁকে, জুবু-থুবু হোয়ে দাঁড়িয়ে, পিঠ বাঁকা কোরে রুকু-সাজদা কোরে নামায পড়ায় পর্যবসিত হোল, এবং এখন সমস্ত মোসলেম দুনিয়াতে এই প্রাণহীন নামায পড়া হয়, সালাহ্ কায়েম করা হয় না৷ আল্লাহ তাঁর কোরানে মোনাফেকদের সালাহ্ কেমন সে সম্বন্ধে বোলছেন- মোনাফেকরা ঢিলা ঢালা হোয়ে সালাতে দাঁড়ায়৷ শব্দ ব্যবহার কোরেছেন 'কুসালা' যার অর্থ ঢিলা, ভিরুতা, সাহসহীন, নির্জীব অবস্থা (সুরা নেসা- আয়াত ১৪২)৷ আবার সুরা মাউনের ৪ এবং ৫ নং আয়াতে হতভাগ্য, অভিশপ্ত বোলেছেন তাদের যারা তাদের সালাতে অসতর্ক, যেমন-তেমন কোরে আদায় করে৷ আল্লাহর এবং রসুলের কথার কষ্ঠি পাথরে বিচার কোরলে আজ সমস্ত পৃথিবীর সালাহ্ হতভাগ্য, অভিশপ্তদের সালাতের মত৷
আমরা, হেযবুত তওহীদ, এসলামের সেই প্রকৃত সালাহ্ গ্রহণ কোরেছি ও তা পূর্ণভাবে কায়েম করার চেষ্টা কোরছি৷ আল্লাহ আমাদের সমস্ত গোনাহ-ত্রুটি মাফ কোরে আমাদের সালাহ্ কবুল করুন৷ আমীন৷

Allah Islam Muslim Dajjal
   
| Thursday, 24. July 2014 || Powered by: info@hezbuttawheed.com |
Share |