দাজ্জাল?ইহুদী খ্রীস্টান ‘সভ্যতা’!  



Get the Flash Player to see this player.

time2online Extensions: Simple Video Flash Player Module

আল্লাহর মো’জেজা : হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা

আল্লাহর মো’জেজা : হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা

বেসমেল্লাহের রহমানের রহিম

argaiv1795

আল্লাহর মো’জেজা : হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা

সম্মানিত সুধী,

পৃথিবী আজ অন্যায়, অবিচার, যুলুম, যুদ্ধ, রক্তপাত, হত্যা, ধর্ষণ, বেকারত্ব, দারিদ্র্য অর্থাৎ অশান্তিতে পরিপূর্ণ। পৃথিবীর এমন কোনো দেশ নেই যেখানে সংঘাত, সংঘর্ষ হোচ্ছে না। আজ পৃথিবীর চারদিক থেকে আর্ত্ত মানুষের হাহাকার উঠছে- শান্তি চাই, শান্তি চাই। দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচারে, দরিদ্রের ওপর ধনীর বঞ্চনায়, শোষণে, শাসিতের ওপর শাসকের অবিচারে, ন্যায়ের ওপর অন্যায়ের বিজয়ে, সরলের ওপর ধুর্ত্তের বঞ্চনায় পৃথিবী আজ মানুষের বাসের অযোগ্য হোয়ে পড়েছে। নিরপরাধ ও শিশুর রক্তে আজ পৃথিবীর মাটি ভেজা। শান্তির আশায় বিভিন্ন রকম তন্ত্র-মন্ত্র, বিধান, ব্যবস্থা তৈরী কোরে একটা একটা কোরে প্রয়োগ কোরে দেখা হোয়েছে। শান্তি রক্ষার জন্য বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা তৈরী কোরে, বিভিন্ন নামে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী আধুনিক অস্ত্র-শস্ত্র ও প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হোয়ে আপ্রাণ চেষ্টা কোরে যাচ্ছে। শান্তির আশায় সকল ধর্মের লোক প্রতিনিয়ত প্রার্থনা কোরে যাচ্ছে। অথচ এই নতুন শতাব্দীর একটি দিনও যায় নাই যেদিন পৃথিবীর কোথাও না কোথাও যুদ্ধ, রক্তপাত চলে নাই। শান্তির সকল প্রচেষ্টাই আজ ব্যর্থ।

এই অবস্থা থেকে মুক্তির উপায় কি?

হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা এমাম, এমামুয্‌যামান, The Leader of the Time জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী সেই শান্তির উপায়, সেই মুক্তির পথ মানবজাতির সামনে তুলে ধোরেছেন। তিনি বোলেছেন, মানবজাতি যদি আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, তওহীদ অর্থাৎ আখেরী নবী মোহাম্মদ (সা:) এর উপরে যে দীনুল হক, সত্য জীবনব্যবস্থা নাযেল হোয়েছে সেটি তাদের সামগ্রিক জীবনে গ্রহণ কোরে নেয় তাহোলেই তারা শান্তি ও নিরাপত্তায় পৃথিবীতে বসবাস কোরতে পারবে। ১৪০০ বছর আগে এসলামের গৌরবময় স্বর্ণযুগে এই দীন মানবজাতিকে এমন অতুলনীয় শান্তি দিয়েছিলো যে তখন অর্দ্ধেক পৃথিবীর কোথাও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কোন বাহিনী না থাকা সত্ত্বেও সমাজে বোলতে গেলে কোন অপরাধই ছিলো না। সুন্দরী যুবতী নারী অলঙ্কার পরিহিত  অবস্থায় শত শত মাইল পথ একা পাড়ি দিত, তার মনে কোন প্রকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও জাগ্রত হোত না। মানুষ রাতে ঘুমানোর সময় ঘরের দরজা বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব কোরত না, রাস্তায় ধন-সমপদ ফেলে রাখলেও তা খোঁজ কোরে যথাস্থানে পাওয়া যেত, চুরি, ডাকাতি, হত্যা, রাহাজানী প্রায় নির্মূল হোয়ে গিয়েছিল, আদালতে বছরের পর বছর কোন অপরাধ সংক্রান্ত মামলা আসতো না। আর অর্থনৈতিক দিক থেকে প্রতিটি মানুষ স্বচ্ছল হোয়ে গিয়েছিল। এই স্বচ্ছলতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, মানুষ যাকাত ও সদকা দেওয়ার জন্য টাকা পয়সা নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াত, কিন্তু সেই টাকা গ্রহণ করার মত লোক পাওয়া যেত না। এটা ইতিহাস।

সেই অনাবিল শান্তির সমাজ যদি আমরা ফিরে পেতে চাই তবে আল্লাহকে আমাদের একমাত্র হুকুমদাতা (এলাহ) হিসাবে মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোন পথ নেই। বর্ত্তমানে তওহীদবিহীন যে এসলাম দুনিয়াতে চোলছে আমরা সেই বিকৃত বিপরীতমুখী এসলামের কথা বোলছি না, এই এসলাম মানবজাতিকে শান্তি দিতে পারে নাই। অথচ এসলাম শব্দের আক্ষরিক অর্থই হোচ্ছে শান্তি। তাই প্রকৃত এসলাম যেখানে থাকবে সেখানে শান্তি থাকতেই হবে। যামানার এমাম এসলামের যে রূপ তুলে ধোরেছেন সেটাই যে শান্তির পথ তার একটি প্রমাণ, এ আন্দোলনের সদস্যরা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিকভাবে শত নির্যাতন নিপীড়ন সত্ত্বেও ১৭ বছরে একটিও অপরাধ বা আইনভঙ্গ করে নি। এটা নিছক মৌখিক দাবী নয় বরং এটি দেশের সর্বনিম্ন থেকে সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত এবং শত শত সরকারী তদন্ত রিপোর্টের সারমর্ম। এটি হেযবুত তওহীদের জন্য এক অনন্য গৌরব।

তিনি এসলামের যে রূপ মানুষের সামনে তুলে ধোরেছেন সেটাই যে আল্লাহ রসুলের প্রকৃত এসলাম তা আল্লাহ একটি বিরাট মো’জেজা বা অলৌকিক ঘটনার মাধ্যমে সত্যায়ন কোরেছেন। এমামুয্‌যামানের একটি ভাষণের মাধ্যমে এ মো’জেজাটি আল্লাহ ঘটিয়েছেন। আমরা এই মো’জেজার ঘটনা “আল্লাহর মো’জেজা: হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা” নামক বইটিতে বিস্তারিত উল্লেখ কোরেছি। এই মো’জেজার মাধ্যমে মানবজাতির জন্য বিরাট একটি সুসংবাদ আল্লাহ জানিয়েছেন। তা হোল: হেযবুত তওহীদ হক-সত্য, এর এমাম আল্লাহর মনোনীত এবং এই হেযবুত তওহীদের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে আল্লাহ তাঁর সত্যদীন প্রতিষ্ঠা কোরবেন এনশা’আল্লাহ। রসুলাল্লাহ বোলেছেন, পৃথিবীতে এমন কোন গৃহ বা তাঁবু থাকবে না যেখানে এসলাম প্রবেশ না কোরবে [হাদীস- মেকদাদ (রা:) থেকে আহমদ, মেশকাত।] মো’জেজা ঘোটিয়ে আল্লাহ নিশ্চিত কোরলেন যে হাদীসে বর্ণিত সেই সময়টি এখনই, এবং যামানার এমামের মাধ্যমেই এই হাদীস সত্যে পরিণত হবে এনশা’আল্লাহ।

এই সত্যদীন, জীবন-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ফলে এনশা’আল্লাহ মানবজাতি এই শ্বাসরুদ্ধকর অশান্তিময় পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাবে। বিশ্বে থাকবে না কোনো জাতি ও বর্ণের ভেদাভেদ, অর্থনৈতিক বৈষম্য, রাজনীতির নামে দলাদলি, নৈরাজ্য, সন্ত্রাস। সমস্ত আদম-সন্তান একটি জাতিতে পরিণত হবে, সকল ধর্মের লোক সমান সুবিচার ও সমান অধিকার পাবে। পৃথিবী থেকে নির্মূল হোয়ে যাবে অন্যায়, অত্যাচার অবিচার, ক্ষুধা, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, হতাশা, নিরাপত্তাহীনতা।

আসুন, সেই শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব মেনে নিয়ে, তওহীদ গ্রহণ কোরে হেযবুত তওহীদ আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হই।

   
| Wednesday, 23. April 2014 || Powered by: info@hezbuttawheed.com |
Share |