জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী
যামানার এমাম, এমামুয্যামান (The Leader of the time)
মাননীয় এমামুয্যামান করোটিয়া, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী পন্নী পরিবারে ১৫ শাবান (লায়লাতুল বরাত) ১৩৪৩ হেজরী, মোতাবেক ১৯২৫ সনের ১১ মার্চ ২৭ ফাল্গুন ১৩৩১ বঙ্গাব্দ, শেষ রাতে নানার বাড়িতে (টাঙ্গাইল শহর) জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশব কাটে করোটিয়ার নিজ গ্রামে। শিক্ষাজীবন শুরু হয় রোকাইয়া উচ্চ মাদ্রাসায় যার নামকরণ হোয়েছিল করোটিয়ার সা’দাত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রতিষ্ঠাতা জনাব ওয়াজেদ আলী খান পন্নী’র স্ত্রী অর্থাৎ এমামুয্যামানের দাদীর নামে। দুই বছর মাদ্রাসায় পড়ার পর তিনি ভর্ত্তি হন এইচ. এন. ইনস্টিটিউশনে যার নামকরণ হোয়েছিল এমামুয্যামানের প্রপিতামহ হাফেজ মাহমুদ আলী খান পন্নী’র নামে। এই স্কুল থেকে তিনি কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১৯৪২ সনে মেট্রিকুলেশন (বর্তমানে এস.এস.সি) পাশ করেন।
আল্লাহর মো’জেজা : হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা
বেসমেল্লাহের রহমানের রহিম
আল্লাহর মো’জেজা : হেযবুত তওহীদের বিজয় ঘোষণা
সম্মানিত সুধী,
পৃথিবী আজ অন্যায়, অবিচার, যুলুম, যুদ্ধ, রক্তপাত, হত্যা, ধর্ষণ, বেকারত্ব, দারিদ্র্য অর্থাৎ অশান্তিতে পরিপূর্ণ। পৃথিবীর এমন কোনো দেশ নেই যেখানে সংঘাত, সংঘর্ষ হোচ্ছে না। আজ পৃথিবীর চারদিক থেকে আর্ত্ত মানুষের হাহাকার উঠছে- শান্তি চাই, শান্তি চাই। দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচারে, দরিদ্রের ওপর ধনীর বঞ্চনায়, শোষণে, শাসিতের ওপর শাসকের অবিচারে, ন্যায়ের ওপর অন্যায়ের বিজয়ে, সরলের ওপর ধুর্ত্তের বঞ্চনায় পৃথিবী আজ মানুষের বাসের অযোগ্য হোয়ে পড়েছে। নিরপরাধ ও শিশুর রক্তে আজ পৃথিবীর মাটি ভেজা। শান্তির আশায় বিভিন্ন রকম তন্ত্র-মন্ত্র, বিধান, ব্যবস্থা তৈরী কোরে একটা একটা কোরে প্রয়োগ কোরে দেখা হোয়েছে।
হেযবুত তওহীদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
বেসমেল্লাহের রহমানের রহিম
হেযবুত তওহীদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
মানুষ মূলতঃ সামাজিক জীব এবং সমাজবদ্ধভাবে বসবাস করে। তার কারণ কোন মানুষই স্বয়ংসম্পূর্ন নয়, জীবনধারণের জন্য তাকে কোন না কোন কারণে অন্যের উপর নির্ভরশীল হোতেই হয়, নির্ভরশীলতার কারণেই তাকে সমাজবদ্ধভাবে বসবাস কোরতে হয়। সমাজবদ্ধভাবে জীবনযাপন কোরতে গেলে মানুষকে স্বভাবতই একটি নিয়ম-কানুনের অর্থাৎ System-এর মধ্যেই বাস কোরতে হয়। যে System-এর মধ্যে জীবনের বিভিন্ন বিষয়ের নিয়ামক থাকতে হয়। এই System বা নিয়ামককে জীবনব্যবস্থা বলা যায়। স্বভাবতই সেই জীবনব্যবস্থায় একদিকে যেমন থাকবে আত্মিক উন্নয়নের ব্যবস্থা অন্যদিকে আইন কানুন, দণ্ডবিধি, অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজনীতি, শিক্ষানীতি ইত্যাদি সর্বপ্রকার ও সর্ববিষয়ে বিধানও থাকতে হবে।
প্রকৃত এসলামের ডাক
আউযুবেল্লাহে মেনাশ’ শায়তানের রাজীম
বেসমেল্লাহের রহমানের রহিম
এ যুগের এমাম, এমামুয্যামান ( The Leader of the Time )
জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নীর পক্ষ থেকে
প্রকৃত এসলামের ডাক
যারা দুনিয়ার কিছুমাত্র খবরও রাখেন তাদের বোলতে হবে না যে, এই পৃথিবীতে মোসলেম বোলে পরিচিত ১৫০ কোটির এই জনসংখ্যাটির কী করুণ অবস্থা। পৃথিবীর অন্য সব জাতিগুলি এই জনসংখ্যাকে পৃথিবীর সর্বত্র ও সর্বক্ষেত্রে পরাজিত কোরছে, হত্যা কোরছে, অপমানিত কোরছে, লান্ছিত কোরছে, তাদের মসজিদগুলি ভেংগে চুরমার কোরে দিচ্ছে বা সেগুলিকে অফিস বা ক্লাবে পরিণত কোরছে। এই জাতির মা-বোনদের তারা ধর্ষণ কোরে হত্যা কোরছে। অথচ আমরা এক সময় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি ছিলাম। পৃথিবীর অন্যান্য সব জাতি সভয় সম্ভ্রমসহ আমাদের পানে তাকিয়ে থাকত। এই পৃথিবীর অর্ধেকেরও বেশী জায়গায় শাসন ক্ষমতা এই মোসলেম বোলে পরিচিত জাতির হাতে ছিল। তারা ঐ ক্ষমতাবলে ঐ বিশাল এলাকায় আল্লাহর দেয়া জীবন-বিধান প্রতিষ্ঠা কোরেছিল। তখন পৃথিবীতে সামরিক শক্তিতে, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে, সভ্যতায়, নতুন নতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারে Technology-তে, আর্থিক শক্তিতে এই জাতি সমস্ত পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ ছিল; তাদের সামনে দাঁড়াবার, তাদের প্রতিরোধ করার মত কোন শক্তি পৃথিবীতে ছিল না।
দাজ্জাল প্রতিরোধকারীর মৃত্যু নেই
যামানার এমাম, এমামুয্যামান (The Leader of the Time)
মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী দাজ্জাল চিহ্নিত কোরেছেন-
দাজ্জাল প্রতিরোধকারীর মৃত্যু নেই
জেহাদ, কেতাল ও সন্ত্রাস
বেসমেল্লাহের রহমানের রহিম
জেহাদ, কেতাল ও সন্ত্রাস
